- Eicrasoft
- August 2025
আমরা একটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে উত্তরা, গুলশান, বসুন্ধরা বা বাড্ডা এলাকার উপযুক্ত বাণিজ্যিক ভবন ভাড়া নিতে চাই, যেখানে অফিস পরিচালনার পাশাপাশি কর্মকর্তাদের আবাসনের সুবিধাও থাকবে। এসব এলাকায় উন্নত অবকাঠামো, নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যবস্থা কর্পোরেট চাহিদা পূরণের জন্য আদর্শ। আমরা এমন ভবন খুঁজছি যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারযোগ্য, আধুনিক সুবিধা-সমৃদ্ধ এবং পেশাদার পরিবেশ নিশ্চিত করে। ভবনের ফ্লোর স্পেস, লিফট, জেনারেটর, গাড়ি পার্কিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিই।
আপনি যদি সংশ্লিষ্ট এলাকায় এমন কোনো ভবনের মালিক হন এবং একটি বিশ্বস্ত কর্পোরেট টিমকে ভাড়াটে হিসেবে পেতে আগ্রহী হন, তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য। এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
কী ধরনের বাণিজ্যিক স্পেস আমরা খুঁজছি
আমরা এমন বাণিজ্যিক ভবন খুঁজছি, যেখানে কর্পোরেট অফিস এবং আবাসনের উপযোগী নিরিবিলি পরিবেশ থাকবে। প্রতিটি ফ্লোরের প্ল্যানিং হতে হবে খোলামেলা ও কার্যকরী, যেন টিম ওয়ার্ক এবং সুশৃঙ্খল অফিস পরিচালনা সহজ হয়। ভবনে লিফট, জেনারেটর, ওয়াশরুম এবং পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক।
পার্কিং সুবিধা আমাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। স্টাফ ও ভিজিটরদের গাড়ি রাখার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকা প্রয়োজন। ভবনটি প্রধান সড়কের কাছাকাছি হলে যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত হয়, যা আমাদের টিম এবং ক্লায়েন্টদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা সার্ভিসও অত্যন্ত জরুরি। ভবনে ২৪ ঘণ্টার নিরাপত্তাকর্মী, সিসিটিভি ও ফায়ার সেফটি সিস্টেম থাকতে হবে। আমরা এমন ভবন চাই, যা দীর্ঘমেয়াদে পেশাদার ব্যবহার উপযোগী এবং ভবন মালিকের সঙ্গে স্বচ্ছ চুক্তির ভিত্তিতে পরিচালিত হতে পারে।
এই লোকেশান গুলোই আমরা কেন ভবন ভাড়া খুঁজছি
উত্তরা, গুলশান, বসুন্ধরা ও বাড্ডা – এই চারটি এলাকায় ঢাকার আধুনিক কর্পোরেট কাঠামো দ্রুত গড়ে উঠেছে। এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত, বিমানবন্দর ও প্রধান সড়কের সঙ্গে সংযুক্তি সহজ। ফলে অফিস পরিচালনা এবং ক্লায়েন্ট মিটিং সহজে সম্পন্ন করা যায়।
এই এলাকাগুলোর প্রতিটিতে আছে নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, যা কর্পোরেট আবাসন ও অফিসের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। গুলশান ও বসুন্ধরায় আধুনিক ভবন ও ব্যবসায়িক হাব তৈরি হয়েছে, আর উত্তরা ও বাড্ডায় রয়েছে দ্রুত বর্ধনশীল বাণিজ্যিক সম্ভাবনা। ফলে আমরা এগুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি।
লোকেশনভিত্তিক সুবিধার পাশাপাশি, এখানে প্রয়োজনীয় সেবা যেমন ব্যাংক, কুরিয়ার, হোটেল ও খাবারের দোকান খুব সহজে পাওয়া যায়। এই সাপোর্ট সিস্টেম আমাদের কাজকে আরও গতিশীল করে তোলে। তাই, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আমরা এই এলাকাগুলোকেই আমাদের অফিস ও আবাসনের জন্য বেছে নিতে চাই।
আমরা সরাসরি ভবন মালিকের থাকে ভাড়া নিতে আগ্রহী: কারণ
আমরা ভবন ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো তৃতীয় পক্ষ বা এজেন্ট ছাড়াই সরাসরি মালিকের সঙ্গে চুক্তি করতে আগ্রহী। এতে যোগাযোগ সহজ হয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়ে এবং দুই পক্ষের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় থাকে। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা স্বচ্ছতা ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই, যা শুধুমাত্র মালিকের সরাসরি সম্পৃক্ততায় কার্যকরভাবে সম্ভব। এই পদ্ধতিতে বাড়তি কমিশন বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের ঝামেলাও থাকে না, ফলে দুই পক্ষের জন্যই এটি লাভজনক।
আমরা সরাসরি ভবন মালিকের কাছে ভাড়া নিতে আগ্রহী হওয়ার কারণগুলো:
- কমিশন বা মধ্যস্থতাকারীর বাড়তি খরচ এড়ানো যায়।
- ভবনের প্রকৃত অবস্থা ও শর্ত সরাসরি যাচাই করা সম্ভব।
- দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে বিশ্বাস ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।
- আলোচনা ও দর-কষাকষা সরাসরি হওয়ায় সময় বাঁচে।
- চাহিদা অনুযায়ী ভবনের কাস্টমাইজেশন সহজ হয়।
- মালিকের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক ভবিষ্যতের সহযোগিতা বাড়ায়।
দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির যে লাভজনক কাঠামো আমরা দিয়ে থাকি
বর্তমানে কর্পোরেট আবাসন ও অফিস ব্যবস্থাপনার জন্য ভবন মালিকদের সামনে একটি লাভজনক আয়ের নতুন পথ উন্মুক্ত হয়েছে। যদি আপনার কাছে একটি সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক ভবন থাকে, তাহলে আপনি শুধু নির্ধারিত ভাড়াই নন—প্রতি মাসে আমাদের পরিচালিত কর্পোরেট কার্যক্রম থেকে লাভের অংশ হিসেবেও আয় করতে পারেন। এই চুক্তির মাধ্যমে আপনি ভবনের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারেন, যা আপনার বিনিয়োগকে আরও অর্থবহ করে তুলবে।
আমাদের প্রস্তাবিত চুক্তি ১০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে তৈরি, যেখানে প্রথম ৫ বছর আপনি নির্ধারিত স্থায়ী ভাড়া পাবেন। পরবর্তী ৫ বছর হবে লাভভিত্তিক অংশীদারির ভিত্তিতে, যেখানে প্রতি মাসে মোট আয়ের ৬০% আপনার অংশ থাকবে এবং আমাদের থাকবে ৪০%—তবে তা আলোচনার মাধ্যমে পরিবর্তনযোগ্য। চুক্তিটি সম্পূর্ণ লিখিত, স্বচ্ছ ও নির্দিষ্ট শর্তাবলির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
আপনি যদি ভবিষ্যত-নির্ভর একটি স্থায়ী আয়ের ব্যবস্থা খুঁজে থাকেন, তবে এই মডেলটি আপনার জন্য উপযুক্ত এবং আপনার ভবনকে একটি লাভজনক সম্পদে পরিণত করুন।
আমাদের সাধারণ কিছু চুক্তির ধরণ
কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা ভবন ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে পেশাদার ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করি। দুই পক্ষের স্বার্থ রক্ষার জন্য আমরা কিছু নির্দিষ্ট কাঠামোর ভিত্তিতে ভবন ভাড়া নেই, যাতে ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা তৈরি না হয়। চুক্তির সময়কাল, পরিশোধ পদ্ধতি, মেরামতের দায়িত্ব ও অন্যান্য শর্ত আগেই আলোচনা করে লিখিতভাবে নির্ধারণ করা হয়। এতে মালিক ও ভাড়াটে—দু’পক্ষই নিশ্চিত থাকতে পারে।
নিচে আমাদের আমাদের কর্পোরেট চুক্তির সাধারণ ধরণসমূহ তুলে ধরা হলোঃ
- দীর্ঘমেয়াদি ভাড়া (৫–১০ বছর) পুনঃনবায়নযোগ্য শর্তে।
- অগ্রিম ভাড়া প্রদান ৩ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত।
- পরিশোধ পদ্ধতি মাসিক ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে।
- ভবনের রক্ষণাবেক্ষণ মালিক অথবা কোম্পানির চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বে।
- ইউটিলিটি বিল ও ট্যাক্স আলাদাভাবে কোম্পানি বহন করে।
- চুক্তি বাতিলের ক্ষেত্রে আগাম নোটিশ (৩–৬ মাস)।
পরিসমাপ্তি
উত্তরা, গুলশান, বসুন্ধরা বা বাড্ডা – এই এলাকায় আমরা কর্পোরেট আবাসন ও অফিস পরিচালনার জন্য উপযুক্ত বাণিজ্যিক ভবন ভাড়া খুঁজছি। আমাদের চাহিদা দীর্ঘমেয়াদি, স্থিতিশীল এবং পারস্পরিক স্বার্থে গঠিত একটি পেশাদার চুক্তির ওপর ভিত্তি করে। আপনি যদি নির্ভরযোগ্য ভাড়াটে খুঁজে থাকেন, তাহলে আমাদের এই প্রস্তাব আপনার ভবনের জন্য হতে পারে সঠিক সিদ্ধান্ত।
আমরা বিশ্বাস করি, একটি লাভজনক এবং স্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্যিক ভবন ভাড়া দেওয়া কেবল এককালীন আয় নয়—বরং একটি স্থায়ী বিনিয়োগের পথ। তাই এখনই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং আপনার বাণিজ্যিক ভবন ভাড়া দিয়ে নিশ্চিত করুন নিয়মিত মাসিক আয় ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা।
প্রশ্ন ও উত্তর
ভাড়ার মেয়াদ কত বছর হবে?
আমরা সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি ভাড়া কাঠামো অনুসরণ করি, যার মেয়াদ ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে। এতে ভবন মালিকের জন্য একটি নিরবচ্ছিন্ন আয়ের নিশ্চয়তা তৈরি হয়।
আমরা কি ভবন মালিকের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করতে আগ্রহী?
হ্যাঁ, আমরা তৃতীয় পক্ষ ছাড়াই সরাসরি ভবন মালিকের সঙ্গে চুক্তি করতে আগ্রহী। এতে যোগাযোগ সহজ হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে উভয় পক্ষের জন্য স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
ভবনের ভাড়া এবং অন্যান্য শর্ত কীভাবে নির্ধারিত হয়?
ভাড়ার পরিমাণ, অগ্রিম, এবং অন্যান্য শর্তাবলী ভবনের অবস্থা, লোকেশন ও পরিসরের ওপর নির্ভর করে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় এবং লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ করা হয়।